Thursday, 28 November 2024


 প্রথম আলোকে যুক্তিসহ প্রমাণসহ অনেকবার বলা হইছে, কিন্তু তারা গায়েই লাগায় নাই। এইবার যে তারে মার্ক করে টুটি চেপে ধরা হইছে, এইটার দরকার ছিলো।

এই যে ইসকন কর্মী না বলে এই চিন্ময় অনুসারী বলা এইটাই প্রথম আলোর পলিটিক্যাল মুভ। যখন হিরো আলমের উপর নির্বাচনের সময় অ্যাটাক করা হয়, তখনও প্রথম আলো বলেছে আরাফাতের অনুসারী। বলেনি আওয়ামী লীগের কর্মী বা সমর্থকের কথা। একই কাজ করেছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও। আবু সাঈদের মৃত্যুর প্রথম এক সপ্তাহ তারা আবু সাঈদকে লিখেছে সংঘর্ষের মাঝে পড়ে নিহত হয়েছে। শহীদ তো দূরের কথা, তাদের লেখার ধরণে ছিলো আবু সাঈদ একটা আন্দোলন কিংবা সংঘর্ষের মধ্যে পথচারীর মতো ঢুকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। আবু সাঈদ নিয়ে দেশে যত আওয়াজ বেড়েছে, প্রথম আলো এই ঘটনা কাভারের সংখ্যাও বাড়াইছে, কিন্তু আবু সাঈদকে আন্দোলনকারী বলতে সে অপেক্ষা করছে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত।

`হাসিনা দেশ থেকে পালিয়েছে‘ এই কথাটা বলতেও প্রথম আলো মাসেরও বেশি সময় নিয়েছে। তারা বলেছে দেশ ত্যাগ করেছে।
দেশ থেকে পালানো আর দেশ ত্যাগ; এই দুয়ের মধ্যকার রাজনীতিটাই প্রথম আলোর রাজনীতি।

অথচ, যখন কোন শিবির অ্যাটাক করেছে, বলেছে শিবির কর্মী, জামাতের লোকজন জড়িত থাকলে বলা হয়েছে জামাত কর্মী, হেফাজত কর্মী, বিএনপি কর্মী, যুবদল কর্মী। এই রাজনীতিটাই প্রথম আলোর স্ট্র্যাটেজি।
প্রথম আলো এই দেশের মিডিয়াগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্মার্ট ও গোছানো। তারা তাদের স্মার্টনেস, অর্গানাইজড এবং রুচিশীলতার প্র্যাকটিসের মধ্য দিয়াই এই রাজনীতিটা করে গেছে।
তাই বলে কি বাকি মিডিয়াগুলো করে নাই? বাকিরাও করছে, কিন্তু বাকি কেউই তার ধারে কাছের স্মার্ট না। যেকারণে তাদেরকে সরাসরি দালাল বলা যায় হাজারো প্রমাণ নিয়া।

আমাদের এই প্রথম আলো-ডেইলি স্টারকে ডিল করতেই হবে। কিন্তু কতদিন?
ততদিন, যতদিন এই দেশে একটা সত্যিকারের গণমানুষের মিডিয়া না আসে।

কিন্তু তার মানে এই না যে, আন্দোলন করে প্রথম আলো বন্ধ করে দাও। এইটার পক্ষে আমি একদমই না। ওদের ভুল, ওদের এই পলিটিক্স আমাদের প্রতিদিন ধরাইয়া দিতে হবে, তাদের আসল চরিত্র প্রতিদিন ফাঁস করে তাদের নিজ অবস্থান দুর্বল করে দিতে হবে, এটাই সুন্দর সমাধান।

No comments:

Post a Comment

 প্রথম আলোকে যুক্তিসহ প্রমাণসহ অনেকবার বলা হইছে, কিন্তু তারা গায়েই লাগায় নাই। এইবার যে তারে মার্ক করে টুটি চেপে ধরা হইছে, এইটার দরকার ছিলো। ...